রোববার,  ১৮ আগস্ট ২০১৯  | সময় লোডিং...
প্রকাশ : ০৫ আগস্ট ২০১৯, ১৬:১২:০৫

স্বপ্নে পাওয়া কলসিতে মিলল ৪৬ রোপ্য মুদ্রা

ডেস্ক রিপোর্ট
রূপকথা নয়। বলছি বাস্তবের এক গল্প। স্বপ্নে পাওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী পিতলের  কলসিতে রোপ্য মুদ্রা পেয়েছে এক কিশোর। সে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমুন্ডি এলাকার বাসিন্দা।
রবিবার সকালে কুশমুণ্ডি থানার আকচা গ্রাম পঞ্চায়েতের পরমেশ্বর গ্রামে বিশাল কিশোর বৈদ্য নামের ওই কিশোর ঢিবি খুঁড়ে এসব মুদ্রা উদ্ধার করে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানায়, সব মিলিয়ে মোট ৪৬টি রৌপ্য মুদ্রা মিলেছে। বাকি আরও কিছু মুদ্রা স্থানীয় লোকজন লুট করে পালিয়েছে বলে অভিযোগ।
মুদ্রাগুলোতে পালি ভাষায় লেখা বলেই সেগুলো পাল আমলের বলে প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা।
কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনন্দগোপাল ঘোষ বলেন, “উদ্ধার হওয়া মুদ্রার নমুনা নিজের চোখে না দেখলেও অনুমান করতে পারি যে, এগুলো পাল আমলের। মুদ্রার লেখাগুলোও পালি ভাষারই হবে।”
তিনি বলেন, “দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় এখন পর্যন্ত যে সমস্ত প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে, তার সবই পাল আমলের। পাল আমলে দক্ষিণ দিনাজপুর বৌদ্ধদের একটি বড় কেন্দ্র ছিল।”
আগেও ওই এলাকায় এমন মুদ্রা মিলেছে বলে দাবি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় মিউজিয়ামের সাবেক এই কর্মকর্তার।
কিশোর বিশাল বৈদ্যের দাবি, কয়েক দিন ধরেই সে স্বপ্নাদেশ পাচ্ছিল যে, জলার ধারে একটি পিতলের কলসিতে মুদ্রা রাখা আছে। স্বপ্নে তাকে কেউ সেগুলো উদ্ধারের জন্য নির্দেশ দিয়েছিল।
ঘটনার দিন সকালে তার দুলাভাই রামধন সরকারের সঙ্গে গ্রামের জলায় পাট জাগ দিতে গিয়েছিল। জলার ধারে ঢিবি দেখে তার স্বপ্নাদেশের কথা মনে পড়ে। তখনই শুরু হয় খোঁজা।
এক সময় মাটির তলা থেকে বের হয় একটি পিতলের কলসি। তার ভেতরে কী আছে তা স্পষ্ট করে বোঝা সম্ভব না হওয়ায় সেটি আছড়ে ভেঙে ফেলে সে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে রৌপ্য মুদ্রাগুলো। শুরু হয় লুটপাট। মাত্র ৪৬টি মুদ্রা উদ্ধার সম্ভব হয়।
এই পাতার আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Powered by orangebd.com