শনিবার,  ১৭ আগস্ট ২০১৯  | সময় লোডিং...
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০১৯, ০০:৩৮:১৯

অবশেষে বিশ্বকাপ শিরোপা ইংল্যান্ডের

ডেস্ক রিপোর্ট
এমন রোমাঞ্চকর ফাইনাল ম্যাচ ক্রিকেট বিশ্ব কখনও দেখেনি। স্বাগতিক ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচ টাই হওয়ায় খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। এখানেই রোমাঞ্চ শেষ হয়নি। উত্তেজনা ছড়িয়ে সুপার ওভারও টাই হয়। কিন্তু আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, বাউন্ডারি থেকে বেশি রান সংগ্রহ করে বিশ্বকাপ নিজেদের করে নেয় ইংল্যান্ড।
সুপার ওভারে কিউই পেসার ট্রেন্ট বোল্টের ওভারে বাটলার ও স্টোকস ১৫ রান সংগ্রহ করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে জোফরা আর্চারের ৫ বলে ১৩ রান করেন নিশাম। জয়ের জন্য শেষ বলে ২ রানের প্রয়োজন হলেও ১ রান নিতে সক্ষম হন গাপটিল। ফলে টাই হয় সুপার ওভারও। কিন্তু মূল ম্যাচে বেশি বাউন্ডারি হাঁকানোয় প্রথমবারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড।  
এর আগে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী লর্ডস স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৯ রানে ওপেনার মার্টিন গাপটিলের উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। এরপর ওয়ান ডাউনে নামা কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে ৭৪ রানের জুটি গড়েন হেনরি নিকোলস। বিশ্বকাপে ধারাবাহিক রান করে যাওয়া নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক ৫৩ বলে ৩০ রান করে ফেরেন।
ইনিংসের শুরু থেকে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া হেনরি নিকোলস ৫৫ রান করে লিয়াম প্ল্যাঙ্কেটের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন।
এরপর ২৩ রানের ব্যবধানে ফেরেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক রস টেইলর। বিশ্বকাপে কেন উইলিয়ামসনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান করে যাওয়া টেইলর এদিন সুবিধা করতে পারেননি। ৩১ বলে ১৫ রানে ফেরেন তিনি।
জেমস নিশাম ২৫ বলে ১৯ রান করেন প্ল্যাঙ্কেটের দ্বিতীয় শিকার হয়ে ফেরেন তিনি। ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যতিক্রম ছিলেন টম লাথাম। তার ৫৬ বলের ৪৭ রানের সুবাদে ২৪১ রান তুলতে সক্ষম হয় নিউজিল্যান্ড।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৮৬ রানে জেসন রয়, জো রুট, জনি বেয়ারস্টো ও অধিনায়ক ইয়ন মরগানের উইকেট হারিয়ে চাপের মধ্যে পড়ে যায় ইংল্যান্ড।
এমন পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে দলকে খেলায় ফেরান বেন স্টোকস ও জস বাটলার। পঞ্চম উইকেটে তারা ১১০ রানের জুটি গড়েন। এরপর ৭ রানের ব্যবধানে বাটলার ও নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিস ওকসের উইকেট হারিয়ে ফের চাপের মধ্যে পড়ে ইংল্যান্ড। তবে একপ্রান্ত আগলে ছিলেন বেন স্টোকস।
পরে লিয়াম প্লাঙ্কেট ১০ রান করে ফিরলে উইকেটে আসেন জোফরা আর্চার। ৪৯তম ওভারের শেষ বলে আর্চার ০ রান করে আউট হলে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের ১৫ রান প্রয়োজন হয়।
৫০তম ওভারের প্রথম ২ বল ডট খেলা জমিয়ে তুলেন বোল্ট। কিন্তু তৃতীয় বলে ৬ হাকিয়ে উত্তেজনা ছড়ান স্টোকস। পরের বলে ওভার থ্রুর জন্য ৬ রান পায় ইংল্যান্ড। জয়ের জন্য শেষ ২ বলে ইংল্যান্ডের ৩ রান প্রয়োজন হয়। শেষ ওভারের পঞ্চম বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট হন আদিল রশিদ। শেষ বলে ২ রানের প্রয়োজন হলেও ১ রান নিতে সক্ষম হয় ইংল্যান্ড।
ম্যাচ টাই হওয়ায় খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। সুপার ওভারে খেলা টাই হওয়াই আইসিসির নিয়মানুযায়ী বাউন্ডারি থেকে বেশি রান করায় চ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড।
 
 
 
এই পাতার আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Powered by orangebd.com