সেলুলাইটিস কী? লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়

ছবি: বোল্ডস্কাই

ছবি: বোল্ডস্কাই

সেলুলাইটিস হলো বেদনাদায়ক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ যা সাধারণত পায়ের নিচের ত্বকে প্রভাব ফেলে। তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি মুখ, হাত বা শরীরের অন্যান্য অংশেও হতে পারে। এক্ষেত্রে, ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণে ত্বক লাল হয়ে যায়, ফুলে ওঠে এবং স্পর্শে বেশ  ব্যথার অনুভূতির সৃষ্টি হয়।     

সেলুলাইটিস সাধারণত ত্বকের পৃষ্ঠদেশে বিকাশ করে এবং সংক্রমণটি লিম্ফ নোড এবং রক্ত প্রবাহে ছড়িয়ে পড়ে।  

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বোল্ডস্কাইয়ের এক প্রতিবেদনে সেলুলাইটিসের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

কারণ

সেলুলাইটিস তখনই দেখা দেয়, যখন স্টাফিলোকক্কাস এবং স্ট্রেপ্টোকোকক্কাসের মতো নির্দিষ্ট ধরনের ব্যাকটেরিয়াগুলি কোনো কাটা, আঁচড় বা সার্জিকাল ক্ষতের মাধ্যমে ত্বকের সংস্পর্শে আসে। পশুর কামড়ও সেলুলাইটিসের কারণ হতে পারে।   

লক্ষণসমূহ 

ক. ত্বক ফোলা এবং লালচে ভাব 

খ. নরম ভাব অনুভূত হওয়া ও ব্যথা  

গ. আক্রান্ত জায়গায় গরমভাব 

ঘ. জ্বর 

ঙ. বমি বমি ভাব 

চ. ঠান্ডা ঘাম 

ছ. অবসাদ

জ. মাথা ঘোরা 

ঝ. পেশী ব্যথা 

ঞ. পুঁজযুক্ত ত্বকের ঘা

চিকিৎসা

এর চিকিৎসা সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে হয়ে থাকে। অ্যান্টিবায়োটিক সেলুলাইটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে ৫ - ১৪ দিনের জন্য নির্ধারিত হয়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, কয়েকদিন পরেই উপসর্গগুলো অদৃশ্য হয়ে যায়। যদি সংক্রমণটি গুরুতর হয় তবে অ্যান্টিবায়োটিক ইন্ট্রাভেনাসের মাধ্যমে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া, চিকিৎসক বিশ্রামের পরামর্শও দিতে পারেন। 

প্রতিরোধ

ক. সংক্রমণ রোধ করতে পোকামাকড়ের কামড়, আঁচড় থেকে এড়িয়ে চলুন। 

খ. ত্বকে ফাটল রোধ করতে ত্বক ময়েশ্চারাইজড রাখুন।  

গ. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।  

ঘ. ধূমপান এড়িয়ে চলুন

ঙ. অ্যালকোহল গ্রহণ সীমাবদ্ধ করুন।  


মন্তব্য করুন

সাপ্তাহিক সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার পড়তে ক্লিক করুন

© 2020 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh