রোববার,  ২৫ আগস্ট ২০১৯  | সময় লোডিং...
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০১৯, ১৫:২১:০৬

আগাম জামিন দিতে হাইকোর্টকে মানতে হবে ১৬ নির্দেশনা

আত্মসমর্পণ করতে হবে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের
নিজস্ব প্রতিবেদক
আগাম জামিন প্রদানের ক্ষেত্রে মামলার এজাহার, আসামির সংশ্লিষ্টতা, অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় নেওয়াসহ ১৬ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রায়ে বলা হয়েছে, আসামিকে আগাম জামিন প্রদানের ক্ষেত্রে হাইকোর্টকে এসব নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
রায়ে বলা হয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য আগাম জামিন দেওয়া যাবে না। এটা দেওয়া হলে তদন্তকে ব্যাহত করে। এছাড়া হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণের মতো গুরুতর অপরাধের মামলায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে কখনোই আগাম জামিন নয়। কারণ আগাম জামিন প্রদানের বিষয়টি একটি ব্যতিক্রমী ক্ষমতা, এ ক্ষমতা ব্যবহারের ক্ষেত্রে হাইকোর্টকে সতর্ক থাকতে হবে।
নাশকতার মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ এক ডজন বিএনপি নেতার আগাম জামিনের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে এ রায় দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। রায়টি লিখেছেন বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। গত বৃহস্পতিবার রায়টি প্রকাশ পেয়েছে।
রায়ের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাসমূহ হচ্ছে—হাইকোর্টকে মামলার এজাহার সূক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিতে হবে। আগাম জামিন দিলে আসামি পালিয়ে যাবে কি না সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আসামির চরিত্র, আচার-আচরণ বিবেচনায় নিতে হবে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অপদস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না তা দেখতে হবে। আগাম জামিন পেয়ে আসামি যাতে সাক্ষীকে ভয়ভীতি দেখাতে না পারে সেজন্য জামিনে শর্ত জুড়ে দিতে হবে। সর্বোপরি জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে আদালতকে। জামিন পাওয়ার পর তদন্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করতে হবে। আট সপ্তাহের বেশি আগাম জামিন নয়। এ ধরনের জামিনের অপব্যবহার করলেই তা বাতিল চাইতে পারবে রাষ্ট্রপক্ষ।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের পূর্বে বিভিন্ন নাশকতার মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, শীর্ষ নেতা মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, খন্দকার মাহবুব হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বরকতউল্লাহ বুলু, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, হাজী সালাহউদ্দিন আহমেদ, মো. শাহজাহান, এজেডএম জাহিদ হোসেন ও অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন। এছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. মোরশেদ হাসান খান ও মো. আমিনুর রহমানও আগাম জামিন পান। হাইকোর্টের দেওয়া এ আগাম জামিনের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। গত ১৮ এপ্রিল ঐ আপিল নিষ্পত্তি করে রায় দেয় আপিল বিভাগ। রায়ের অনুলিপি পাওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে এসব শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৭ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হলেও রহস্যজনকভাবে স্থগিত করে রাখা হয়েছে ১৮ শিক্ষার্থীর ফলাফল। একাধিকবার বিষয়টি বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না। আর এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 
এই পরিপ্রেক্ষিতে নানা অভিযোগ নিয়ে গতকাল শুক্রবার বেলা ১২টায় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ঐ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা। এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অভিভাবক মো. মাহাবুব আলম।
সংবাদ সম্মেলনে এস এম নুরুল কবীর, মির্জা রিমন, বাসু দেব রায়, অনিল রায়, মো. সফিকুল ইসলামসহ সকল অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস জানান, ১৮ পরীক্ষার্থীর ফলাফল স্থগিত যে করা হয়েছে তার কারণ গুরুতর। তারা অসদুপায়ে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। এই বিষয়ে তথ্য প্রমাণাদি আমাদের হাতে এসেছে। এই ১৮ পরীক্ষার্থী বিভাগের বিভিন্ন স্থানে থাকা ১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছে। কিন্তু কাকতালীয়ভাবে এই ১৮ জনের খাতা একজন পরীক্ষকের হাতে গিয়ে পৌঁছেছে। যেটা বোর্ডের কারো সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। তিনি পরীক্ষার্থীকে মারধরের বিষয়ে বলেন, এটা পুরোপুরি মিথ্যা কথা। ইত্তেফাক
 
এই পাতার আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদসর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক: ইলিয়াস উদ্দিন পলাশ

প্রকাশক: নাহিদা আকতার জাহেদী

১০/২২ ইকবাল রোড, ব্লক এ, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭

Powered by orangebd.com