পঞ্চাশে পা দিলেন গানের পাখি কনক চাঁপা

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রোমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা। ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রোমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা। ছবি: সংগৃহীত

আজ ১১ সেপ্টেম্বর জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রোমানা মোর্শেদ কনক চাঁপার জন্মদিন। ১৯৬৯ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। এবার পঞ্চাশ বছর বয়সে পা রাখলেন তিনি। রাত ১২টার পর থেকেই জন্মদিনে শুভেচ্ছায় ভাসছেন কনক চাঁপা। ভক্তরা জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তাকে। 
কনক চাঁপা বলেন, ‘জন্মদিন নিয়ে কখনই আমি এক্সাইটেড থাকি না। কারণ জন্মদিন সত্যিকার অর্থে মৃত্যুর কথা মনে করিয়ে দেয়। প্রতিটা বছর পার করি আর মনে হয় ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে আগাচ্ছি। পৃথিবীকে আমি অনেক ভালোবাসি। কিন্তু এবারের জন্মদিনটা আমার কাছে বিশেষ। কারণ এই বছর আমি পঞ্চাশতম জন্মদিন পালন করছি। নিজেকে ভীষণ সোভাগ্যবান মনে হচ্ছে। পৃথিবীতে আমি অর্ধশত বছর বাস করেছি। আর কতদিন বাঁচবো এটা আল্লাহই জানেন।’ 
কনক চাঁপা জানালেন, তার এই বিশেষ জন্মদিনটা কাটছে আমেরিকায়। তিনি বলেন, ‘আজকে আমার মা, সন্তান, নাতি নাতনিরা অনেক দূরে। আমার ভাগ্নি অ্যানির সঙ্গে কাটছে দিনটা। ভাগ্নি জামাই একটা কেক নিয়ে এসে হঠাৎ করে আমাকে চমকে দিলো। দেশে বিদেশে অনেক বাংলা ভাষাভাষিরা আমার গান ভালো বাসেন। সবাই আমার জন্য দোয়া করছেন আমি যেনো কোনো ভুল কাজ না করি, আপনাদের মনে যেনো কষ্ট না দেই।’ 
চলচ্চিত্র, আধুনিক গান, নজরুল সঙ্গীত, লোকগীতিসহ প্রায় সবধরনের গানে কনক চাঁপা সমান পারদর্শী। তিনি ৩২ বছর ধরে সংগীতাঙ্গনে কাজ করে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত চলচ্চিত্রের তিন হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন কনক চাঁপা। প্রকাশিত হয়েছে ৩৫টি একক গানের অ্যালবাম।
একেবারে ছোট বেলাতেই গানে হাতে খড়ি। রেডিওতে কলকাকলি অনুষ্ঠান দিয়ে গান গাওয়া শুরু। বাংলাদেশ টেলিভিশনের নতুন কুঁড়ি অনুষ্ঠানে ৭৮ সালে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন।
তবে পরিবারেই ছিল সঙ্গীতের আবহ। বাবা সখ করে গান করতেন। তার কাছেই উৎসাহ পেয়েছেন গানের। গাই গাইতেন বড় বোনও। নতুন কুঁড়িতে পুরস্কার জেতার পর বাবাই তাকে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নেয়ার সুযোগ করে দিলেন। তার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

মন্তব্য করুন

সাম্প্রতিক দেশকাল ই-পেপার

© 2019 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh