সঞ্চয়পত্র

১০ শতাংশ উৎসে কর ফেরত পাবেন না গ্রাহক

সঞ্চয়পত্রে ১ জুলাইয়ের পর পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের বিপরীতে অর্জিত মুনাফার ওপর যারা ১০ শতাংশ উৎসে কর দিয়েছেন, তাদের তা ফেরত পাওয়ার আর কোনো সুযোগ থাকছে না।
এ বিষয়ে জারি করা অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন, জাতীয় রাজস্ব র্বোড (এনবিআর) এসআরও এবং জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো নির্দেশনায় এ সংক্রান্ত কিছু উল্লেখ না থাকায় অতিরিক্ত অর্থ গ্রাহক ফেরত পাচ্ছেন না এটা প্রায় নিশ্চিত। কেনার নিয়মে কড়াকড়িসহ উৎস কর বাড়ানোর ঘটনায় ইতোমধ্যে আশঙ্কাজনক হারে কমেছে সঞ্চয়পত্র বিক্রি।
অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপন, এনবিআরএর এসআরও এবং সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের নির্দেশনায় দেখা যায়, পেনশনার সঞ্চয়পত্র ছাড়া সবপ্রকার সঞ্চয়পত্রে ক্রয়কাল নির্বিশেষে পুঞ্জিভূত বিনিয়োগের পরিমাণ ৫ লাখ টাকা অতিক্রম না করলে এরূপ বিনিয়োগ থেকে অর্জিত সুদের ওপর ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিনেন্স ১৯৮৪ এর সেশন ৫২ডি তে উলিস্নখিত উৎসে কর কর্তনের হার ১০ শতাংশ হতে হ্রাস করে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে পেনশনার সঞ্চয়পত্রসহ সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ ৫ লাখ টাকার ঊর্ধ্বে হলে আইন অনুযায়ী, উৎসে কর কর্তনের হার হবে ১০ শতাংশ।
এ বিষয়ে জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তরের উপপরিচালক রাজিয়া বেগম বলেন, গত ২৮ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রজ্ঞাপন ও ২ সেপ্টেম্বর এনবিআর এর এসআরও জারির পর তারা ৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা পাঠিয়ে দিয়েছেন। যা গত দুই দিন ধরে সঞ্চয়পত্র ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে। তবে ১ জুলাইয়ের পর পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের বিপরীতে অর্জিত মুনাফার ওপর যারা এরইমধ্যে ১০ শতাংশ উৎসে কর দিয়ে ফেলেছেন, তাদের তা ফেরত দেয়ার বিষয়ে তাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। অর্থবিভাগ বা এনবিআরের জারি করা প্রজ্ঞাপন ও এনআরওতে এ বিষয়ে কোনো কিছু বলা হয়নি। তাই মোটামুটি বলা যায়, যারা ১০ শতাংশ হারে টাকা দিয়েছেন পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত তারা কিছুই করতে পারবেন না।


মন্তব্য করুন

© 2019 Shampratik Deshkal All Rights Reserved. Design & Developed By Root Soft Bangladesh